All products
Accounting Book
ICMAB Study Guide












AI যুগে হিসাববিজ্ঞান — আপনার জন্য ঝুকি ও সম্ভাবনা বইটি বাংলাদেশের হিসাব পেশাজীবীদের জন্য বাংলা ভাষায় রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড। Artificial Intelligence এখন আর শুধু প্রযুক্তিবিদদের বিষয় নয় — এটি হিসাববিজ্ঞান পেশার প্রতিটি কোণে প্রবেশ করছে। Oxford University-র গবেষণা বলছে Bookkeeping Clerk পদে ৯৭% অটোমেশনের সম্ভাবনা রয়েছে, আর McKinsey বলছে ২০৩০-এর মধ্যে অ্যাকাউন্টিং কাজের ৬৪% আংশিকভাবে স্বয়ংক্রিয় হবে। এই পরিবর্তনের মুখে বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষেরও বেশি হিসাবরক্ষক কতটা প্রস্তুত — সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই বইটির জন্ম।
বইটি মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে (অধ্যায় ১-৩) বৈশ্বিক গবেষণার আলোকে দেখানো হয়েছে হিসাবরক্ষণ পেশায় AI কী ধরনের পরিবর্তন আনছে, কোন কাজগুলো ঝুঁকিতে এবং কোন ভূমিকাগুলো আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি AI-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং প্রযুক্তি-ভীতি কাটানোর মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।
দ্বিতীয় ভাগে (অধ্যায় ৪-৬) দেখানো হয়েছে কীভাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই AI ব্যবহার করছে। ইনভয়েস অটোমেশন, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন, পেরোল প্রক্রিয়াকরণ, জালিয়াতি শনাক্তকরণ, আর্থিক পূর্বাভাস, ট্যাক্স পরিকল্পনা এবং রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড — প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত ব্যবহারিক গাইড রয়েছে।
তৃতীয় ভাগে (অধ্যায় ৭-৮) সত্তরোর্ধ্ব অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারের বিস্তারিত পর্যালোচনা দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক ক্লাউড সফটওয়্যার থেকে শুরু করে বাংলাদেশি সমাধান, এন্টারপ্রাইজ ERP এবং বিশেষায়িত AI টুল — সবকিছু একটি সম্পূর্ণ বিশ্বকোষে। কোন ব্যবসায় কোন সফটওয়্যার উপযুক্ত তার সিদ্ধান্ত গাছ এবং বাস্তবায়নের ধাপও দেওয়া আছে। পাশাপাশি Excel Copilot, Power BI এবং Python-এর মৌলিক ব্যবহার শেখানো হয়েছে।
চতুর্থ ভাগে (অধ্যায় ৯-১২) অডিট ও কর পেশায় AI-এর প্রভাব, মক অডিট কেস স্টাডি, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্টে AI এবং ১২ মাসের সম্পূর্ণ শেখার রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে। ২০৩০ সালের হিসাবরক্ষকের প্রোফাইল এবং বাংলাদেশে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগগুলোও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি McKinsey, Oxford, ACCA, Deloitte, PwC, World Economic Forum সহ ১৮টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের উপর ভিত্তি করে রচিত। তবু পুরো বইটি লেখা হয়েছে এমনভাবে যাতে প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ নতুন একজন পাঠকও সহজে বুঝতে পারেন এবং আজই কাজে লাগাতে পারেন।
এই বইটি হিসাবরক্ষক, অডিটর, ট্যাক্স পরামর্শদাতা এবং CFO — সবার জন্যই সমানভাবে কাজে আসবে। বইটির মূল বার্তা একটাই: AI হিসাবরক্ষকের শত্রু নয়, এটি তার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র — যদি সে শিখতে রাজি থাকে।
AI যুগে হিসাববিজ্ঞান — আপনার জন্য ঝুকি ও সম্ভাবনা বইটি বাংলাদেশের হিসাব পেশাজীবীদের জন্য বাংলা ভাষায় রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড। Artificial Intelligence এখন আর শুধু প্রযুক্তিবিদদের বিষয় নয় — এটি হিসাববিজ্ঞান পেশার প্রতিটি কোণে প্রবেশ করছে। Oxford University-র গবেষণা বলছে Bookkeeping Clerk পদে ৯৭% অটোমেশনের সম্ভাবনা রয়েছে, আর McKinsey বলছে ২০৩০-এর মধ্যে অ্যাকাউন্টিং কাজের ৬৪% আংশিকভাবে স্বয়ংক্রিয় হবে। এই পরিবর্তনের মুখে বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষেরও বেশি হিসাবরক্ষক কতটা প্রস্তুত — সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই বইটির জন্ম।
বইটি মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে (অধ্যায় ১-৩) বৈশ্বিক গবেষণার আলোকে দেখানো হয়েছে হিসাবরক্ষণ পেশায় AI কী ধরনের পরিবর্তন আনছে, কোন কাজগুলো ঝুঁকিতে এবং কোন ভূমিকাগুলো আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি AI-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং প্রযুক্তি-ভীতি কাটানোর মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।
দ্বিতীয় ভাগে (অধ্যায় ৪-৬) দেখানো হয়েছে কীভাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই AI ব্যবহার করছে। ইনভয়েস অটোমেশন, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন, পেরোল প্রক্রিয়াকরণ, জালিয়াতি শনাক্তকরণ, আর্থিক পূর্বাভাস, ট্যাক্স পরিকল্পনা এবং রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড — প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত ব্যবহারিক গাইড রয়েছে।
তৃতীয় ভাগে (অধ্যায় ৭-৮) সত্তরোর্ধ্ব অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারের বিস্তারিত পর্যালোচনা দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক ক্লাউড সফটওয়্যার থেকে শুরু করে বাংলাদেশি সমাধান, এন্টারপ্রাইজ ERP এবং বিশেষায়িত AI টুল — সবকিছু একটি সম্পূর্ণ বিশ্বকোষে। কোন ব্যবসায় কোন সফটওয়্যার উপযুক্ত তার সিদ্ধান্ত গাছ এবং বাস্তবায়নের ধাপও দেওয়া আছে। পাশাপাশি Excel Copilot, Power BI এবং Python-এর মৌলিক ব্যবহার শেখানো হয়েছে।
চতুর্থ ভাগে (অধ্যায় ৯-১২) অডিট ও কর পেশায় AI-এর প্রভাব, মক অডিট কেস স্টাডি, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্টে AI এবং ১২ মাসের সম্পূর্ণ শেখার রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে। ২০৩০ সালের হিসাবরক্ষকের প্রোফাইল এবং বাংলাদেশে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগগুলোও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি McKinsey, Oxford, ACCA, Deloitte, PwC, World Economic Forum সহ ১৮টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের উপর ভিত্তি করে রচিত। তবু পুরো বইটি লেখা হয়েছে এমনভাবে যাতে প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ নতুন একজন পাঠকও সহজে বুঝতে পারেন এবং আজই কাজে লাগাতে পারেন।
এই বইটি হিসাবরক্ষক, অডিটর, ট্যাক্স পরামর্শদাতা এবং CFO — সবার জন্যই সমানভাবে কাজে আসবে। বইটির মূল বার্তা একটাই: AI হিসাবরক্ষকের শত্রু নয়, এটি তার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র — যদি সে শিখতে রাজি থাকে।
All products
Accounting Book
ICMAB Study Guide












AI যুগে হিসাববিজ্ঞান — আপনার জন্য ঝুকি ও সম্ভাবনা বইটি বাংলাদেশের হিসাব পেশাজীবীদের জন্য বাংলা ভাষায় রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড। Artificial Intelligence এখন আর শুধু প্রযুক্তিবিদদের বিষয় নয় — এটি হিসাববিজ্ঞান পেশার প্রতিটি কোণে প্রবেশ করছে। Oxford University-র গবেষণা বলছে Bookkeeping Clerk পদে ৯৭% অটোমেশনের সম্ভাবনা রয়েছে, আর McKinsey বলছে ২০৩০-এর মধ্যে অ্যাকাউন্টিং কাজের ৬৪% আংশিকভাবে স্বয়ংক্রিয় হবে। এই পরিবর্তনের মুখে বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষেরও বেশি হিসাবরক্ষক কতটা প্রস্তুত — সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই বইটির জন্ম।
বইটি মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে (অধ্যায় ১-৩) বৈশ্বিক গবেষণার আলোকে দেখানো হয়েছে হিসাবরক্ষণ পেশায় AI কী ধরনের পরিবর্তন আনছে, কোন কাজগুলো ঝুঁকিতে এবং কোন ভূমিকাগুলো আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি AI-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং প্রযুক্তি-ভীতি কাটানোর মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।
দ্বিতীয় ভাগে (অধ্যায় ৪-৬) দেখানো হয়েছে কীভাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই AI ব্যবহার করছে। ইনভয়েস অটোমেশন, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন, পেরোল প্রক্রিয়াকরণ, জালিয়াতি শনাক্তকরণ, আর্থিক পূর্বাভাস, ট্যাক্স পরিকল্পনা এবং রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড — প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত ব্যবহারিক গাইড রয়েছে।
তৃতীয় ভাগে (অধ্যায় ৭-৮) সত্তরোর্ধ্ব অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারের বিস্তারিত পর্যালোচনা দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক ক্লাউড সফটওয়্যার থেকে শুরু করে বাংলাদেশি সমাধান, এন্টারপ্রাইজ ERP এবং বিশেষায়িত AI টুল — সবকিছু একটি সম্পূর্ণ বিশ্বকোষে। কোন ব্যবসায় কোন সফটওয়্যার উপযুক্ত তার সিদ্ধান্ত গাছ এবং বাস্তবায়নের ধাপও দেওয়া আছে। পাশাপাশি Excel Copilot, Power BI এবং Python-এর মৌলিক ব্যবহার শেখানো হয়েছে।
চতুর্থ ভাগে (অধ্যায় ৯-১২) অডিট ও কর পেশায় AI-এর প্রভাব, মক অডিট কেস স্টাডি, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্টে AI এবং ১২ মাসের সম্পূর্ণ শেখার রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে। ২০৩০ সালের হিসাবরক্ষকের প্রোফাইল এবং বাংলাদেশে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগগুলোও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি McKinsey, Oxford, ACCA, Deloitte, PwC, World Economic Forum সহ ১৮টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের উপর ভিত্তি করে রচিত। তবু পুরো বইটি লেখা হয়েছে এমনভাবে যাতে প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ নতুন একজন পাঠকও সহজে বুঝতে পারেন এবং আজই কাজে লাগাতে পারেন।
এই বইটি হিসাবরক্ষক, অডিটর, ট্যাক্স পরামর্শদাতা এবং CFO — সবার জন্যই সমানভাবে কাজে আসবে। বইটির মূল বার্তা একটাই: AI হিসাবরক্ষকের শত্রু নয়, এটি তার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র — যদি সে শিখতে রাজি থাকে।
AI যুগে হিসাববিজ্ঞান — আপনার জন্য ঝুকি ও সম্ভাবনা বইটি বাংলাদেশের হিসাব পেশাজীবীদের জন্য বাংলা ভাষায় রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড। Artificial Intelligence এখন আর শুধু প্রযুক্তিবিদদের বিষয় নয় — এটি হিসাববিজ্ঞান পেশার প্রতিটি কোণে প্রবেশ করছে। Oxford University-র গবেষণা বলছে Bookkeeping Clerk পদে ৯৭% অটোমেশনের সম্ভাবনা রয়েছে, আর McKinsey বলছে ২০৩০-এর মধ্যে অ্যাকাউন্টিং কাজের ৬৪% আংশিকভাবে স্বয়ংক্রিয় হবে। এই পরিবর্তনের মুখে বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষেরও বেশি হিসাবরক্ষক কতটা প্রস্তুত — সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই বইটির জন্ম।
বইটি মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে (অধ্যায় ১-৩) বৈশ্বিক গবেষণার আলোকে দেখানো হয়েছে হিসাবরক্ষণ পেশায় AI কী ধরনের পরিবর্তন আনছে, কোন কাজগুলো ঝুঁকিতে এবং কোন ভূমিকাগুলো আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি AI-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং প্রযুক্তি-ভীতি কাটানোর মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।
দ্বিতীয় ভাগে (অধ্যায় ৪-৬) দেখানো হয়েছে কীভাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই AI ব্যবহার করছে। ইনভয়েস অটোমেশন, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন, পেরোল প্রক্রিয়াকরণ, জালিয়াতি শনাক্তকরণ, আর্থিক পূর্বাভাস, ট্যাক্স পরিকল্পনা এবং রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড — প্রতিটি বিষয়ে বিস্তারিত ব্যবহারিক গাইড রয়েছে।
তৃতীয় ভাগে (অধ্যায় ৭-৮) সত্তরোর্ধ্ব অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারের বিস্তারিত পর্যালোচনা দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক ক্লাউড সফটওয়্যার থেকে শুরু করে বাংলাদেশি সমাধান, এন্টারপ্রাইজ ERP এবং বিশেষায়িত AI টুল — সবকিছু একটি সম্পূর্ণ বিশ্বকোষে। কোন ব্যবসায় কোন সফটওয়্যার উপযুক্ত তার সিদ্ধান্ত গাছ এবং বাস্তবায়নের ধাপও দেওয়া আছে। পাশাপাশি Excel Copilot, Power BI এবং Python-এর মৌলিক ব্যবহার শেখানো হয়েছে।
চতুর্থ ভাগে (অধ্যায় ৯-১২) অডিট ও কর পেশায় AI-এর প্রভাব, মক অডিট কেস স্টাডি, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্টে AI এবং ১২ মাসের সম্পূর্ণ শেখার রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে। ২০৩০ সালের হিসাবরক্ষকের প্রোফাইল এবং বাংলাদেশে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগগুলোও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি McKinsey, Oxford, ACCA, Deloitte, PwC, World Economic Forum সহ ১৮টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের উপর ভিত্তি করে রচিত। তবু পুরো বইটি লেখা হয়েছে এমনভাবে যাতে প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ নতুন একজন পাঠকও সহজে বুঝতে পারেন এবং আজই কাজে লাগাতে পারেন।
এই বইটি হিসাবরক্ষক, অডিটর, ট্যাক্স পরামর্শদাতা এবং CFO — সবার জন্যই সমানভাবে কাজে আসবে। বইটির মূল বার্তা একটাই: AI হিসাবরক্ষকের শত্রু নয়, এটি তার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র — যদি সে শিখতে রাজি থাকে।